লগইন
৭ নভেম্বর থেকে ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান
বড় করে দেখুন
সাম্প্রতিকী ডেক্স আপডেট: ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ | ১২:০১ দুপুর ৩০ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:

সংবাদ শুনুন

প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন

রাজনীতি
জিয়া পরিবারের তিন প্রজন্মের রাজনৈতিক সংগ্রাম | ৭ নভেম্বর থেকে ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান

বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু দিন শুধুমাত্র ক্যালেন্ডারের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সেসব দিন জাতির রাজনৈতিক গতিপথের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। এমনই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে সংঘটিত সিপাহি-জনতার এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। এই ধারাবাহিকতায় জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং পরবর্তীতে তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকাকে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা একটি ঐতিহাসিক পরম্পরা হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশ এক গভীর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নিপতিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে আরেকটি পাল্টা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ও চেইন অব কমান্ড পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হলেও পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করে। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যত রাষ্ট্রক্ষমতার কাঠামোতে এক ধরনের অচলাবস্থা বিরাজ করছিল।

এই সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যেই ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর ঢাকা সেনানিবাসে সিপাহিদের একটি বিদ্রোহ শুরু হয়। তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্ত করা ছিল তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সিপাহিরা ট্যাংক নিয়ে ঢাকার রাজপথে নেমে আসে এবং তাদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের একটি বৃহৎ অংশও যোগ দেয়। ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’, ‘জিয়াউর রহমান জিন্দাবাদ’ এবং ‘সিপাহি-জনতার বিপ্লব জিন্দাবাদ’—এই স্লোগানে রাজপথ মুখরিত হয়ে ওঠে।

৭ নভেম্বরের এই ঘটনাপ্রবাহ জিয়াউর রহমানকে আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্বে পুনর্বহাল হন এবং ডেপুটি চিফ মার্শাল ল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যদিও রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন, কিন্তু বাস্তবে জিয়াউর রহমান ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভূমিকা পালন করতে শুরু করেন।

পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি পায় এবং দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলস্বরূপ, ৭ নভেম্বরকে বিএনপি ও এর সমর্থকেরা রাজনৈতিক অচলাবস্থা থেকে উত্তরণের একটি ঐতিহাসিক বাঁক হিসেবে গণ্য করে।

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামো পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার সময়ে অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি, তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশের ভিত্তি স্থাপন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাল খননের মতো কর্মসূচির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তাঁর রাজনৈতিক অনুসারীদের মতে, এসব উদ্যোগ পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তবে ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি ঘটে। সে সময় তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। জিয়ার মৃত্যুর পর বিচারপতি আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যেই ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।

এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালে বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার পর তিনি দ্রুত দলের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উঠে আসেন। ১৯৮৩ সালে ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এরপর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে তিনি সম্মুখ সারির নেতৃত্ব দেন। সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৮৬ সালের নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত এবং ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে তাকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়। দীর্ঘ আন্দোলনের একপর্যায়ে বিএনপির নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিভিন্ন ছাত্র সংসদে সাফল্যও সেই আন্দোলনকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে। একপর্যায়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে। এই দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বেগম খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করলে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্রের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় তার নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সেখানেই থেমে থাকেনি। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নতুন সংকট তৈরি হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

এই সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ হিসেবে সামনে আসেন তারেক রহমান। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পর তার নেতৃত্বকে বিএনপি রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার পরবর্তী অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরে। দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থান করেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে বিএনপির আন্দোলন আরও তীব্র হয়। দলটির দাবি অনুযায়ী, তারেক রহমান বিদেশে অবস্থান করেও নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করতে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে দিকনির্দেশনা দিতে সক্রিয় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, রাজনৈতিক হয়রানি এবং তার পরিবারকে চাপের মুখে রাখার অভিযোগও বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে সেই রাজনৈতিক আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমে বৈষম্যবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলনে পরিণত হয়। একপর্যায়ে ছাত্রদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যুক্ত হন। আন্দোলনকে ঘিরে সংঘাত, প্রাণহানি এবং সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে।

বিএনপির রাজনৈতিক বক্তব্যে এই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দিকনির্দেশনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দলটির মতে, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না; বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের দাবির ধারাবাহিকতায় এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। বিদেশে অবস্থান করেও তারেক রহমান নেতা-কর্মী ও আন্দোলনকারীদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করেছেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়।

এই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাকে বিএনপি জিয়া পরিবারের তিন প্রজন্মের নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত করে দেখে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ভূমিকা, এরশাদবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবস্থান—সবকিছুকে একই ধারার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

জিয়াউর রহমানের ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বহুদলীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভূমিকা সামনে আসে। আর তারেক রহমানের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সরকারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তার রাজনৈতিক নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবারের এই ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যেমন রয়েছে, তেমনি বিএনপি ও দলটির সমর্থকদের কাছে এটি একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক উত্তরাধিকার। তাদের দৃষ্টিতে, দেশের সংকটময় প্রতিটি পর্যায়ে জিয়া পরিবারের সদস্যরা জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তাই ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার উত্তরসূরি হিসেবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ভূমিকার কথাও সামনে আসে। ৭ নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান—এই দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমাকে বিএনপি জিয়া পরিবারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিক সংগ্রাম হিসেবে বিবেচনা করে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে লগইন করুন

লগইন করুন

সর্বশেষ সংবাদ

ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

২০ মিনিট আগে
ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

মেহেরপুরের আমঝুপিতে বিএনপির সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও মিছিল

২০ মিনিট আগে
মেহেরপুরের আমঝুপিতে বিএনপির সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও মিছিল

রাউজানে জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেরার পথে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৬

১ ঘন্টা আগে
রাউজানে জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেরার পথে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ৬

আসামি মোতাহার ফের ৩ দিনের রিমান্ডে

১ ঘন্টা আগে
আসামি মোতাহার ফের ৩ দিনের রিমান্ডে

ইসরায়েলি গণমাধ্যম

৩ ঘন্টা আগে
ইসরায়েলি গণমাধ্যম

৭ নভেম্বরের আলোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ

৩ ঘন্টা আগে
৭ নভেম্বরের আলোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ

আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতাকর্মিদের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতাকর্মিদের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

আলমডাঙ্গায় জাপানে পড়াশোনা, চাকরি ও স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ড্রিম স্টাডি অ্যাব্রোডের শাখা অফিস উদ্বোধন

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় জাপানে পড়াশোনা, চাকরি ও স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ড্রিম স্টাডি অ্যাব্রোডের শাখা অফিস উদ্বোধন

নোটিফিকেশন চালু করুন

সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো সবার আগে পেতে নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন।