সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট | সরবরাহ স্বাভাবিক ও কঠোর নজরদারির তাগিদ
দেশের বাজারে আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে ক্রেতারা চাহিদা অনুযায়ী ভোজ্যতেল পাচ্ছেন না। কোথাও এক লিটারের বোতল উধাও, আবার কোথাও দুই বা পাঁচ লিটারের বোতল মিলছে না। এই সরবরাহ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে খোলা তেলের বাজারেও। গত এক সপ্তাহে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম প্রতি লিটারে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
ভোজ্যতেলের বাজারে এ ধরনের সংকট এবারই প্রথম নয়। চলতি বছরেই এর আগে আরও দুইবার বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এপ্রিলের শেষভাগে লিটারে ৪ টাকা এবং সেপ্টেম্বর মাসে আরও ৫ টাকা দাম বাড়ানো হয়। চলমান সংকটের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইতিমধ্যেই তেলের দাম বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া নতুন করে দাম বাড়ানো হবে না।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি করা হলে তার চূড়ান্ত ভুক্তভোগী হন সাধারণ ভোক্তারা। বাজারে সংকট তৈরি হলে মানুষ বাধ্য হয়ে খোলা তেল কেনেন, যার ফলে খোলা তেলের দামও চড়ে যায়। অনেক ক্রেতা আতঙ্কে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করছেন। আবার কিছু অসাধু বিক্রেতা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় বোতলজাত তেল লুকিয়ে রাখছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বাজারের এই অস্থিরতা কাটাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত কঠোর নজরদারির প্রয়োজন। কোন কোম্পানি প্রতিদিন কী পরিমাণ তেল বাজারে সরবরাহ করছে, তা নিয়মিত জনসমক্ষে প্রকাশ করা উচিত। সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম উপায়ে দাম বাড়ানোর কোনো অপচেষ্টা চলছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। যৌক্তিক কারণে পণ্যের দাম বাড়তে পারে, কিন্তু কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে ভোক্তাদের জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় গাড়ি চেকিংয়ের নামে পুরাতন মোটরসাইকেল হাটে আসা ক্রেত-বিক্রেতাদের হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন
১ দিন আগে
নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের
১ দিন আগে
সরকারি অনুমতি ছাড়াই রিফাইনারি নির্মাণ, অপরিশোধিত তেল আমদানির আবেদনে নতুন বিতর্ক
৩ দিন আগে