সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
আলমডাঙ্গায় মনোমুগ্ধকর ইসলামী সাংস্কৃতি সন্ধ্যায় ইসলামী সংগীতশিল্পী অ্যাড. মোঃ রোকনুজ্জামান
আলমডাঙ্গায় ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে বিজয়ের মাস উপলক্ষে মনোমুগ্ধকর ইসলামী সন্ধ্যা এবং ক্বেরাত, হামদ/নাত ও ইসলামী সংগীত/নাশীদ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর বিকাল থেকে উপজেলা পরিষদ মঞ্চে শুরু হওয়া এই আয়োজন ইসলামী চেতনায় উজ্জীবিত করে পুরো এলাকা।
ক্বেরাত প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির বালক-বালিকা এবং খ গ্রুপে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বালক। হামদ/নাত প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির বালক-বালিকা এবং খ গ্রুপে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বালক। ইসলামী সংগীত/নাশীদ প্রতিযোগীতায় ক গ্রুপে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির বালক-বালিকা এবং খ গ্রæপে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বালক। ছোট শিশুদের মনোমুগ্ধকর ক্বেরাত, হামদ/নাত এবং ইসলামী সংগীত পরিবেশনায় মঞ্চ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
ইসলামী সংগীত পরিবেশনার প্রধান আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত ইসলামী সংগীতশিল্পী, যশোর জর্জকোর্টের অ্যাডভোকেট মোঃ রোকনুজ্জামান। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনা দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেয়। ইসলামী সংগীত পরিবশেন শেষে প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করা হয়।
পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদ আলমডাঙ্গা পৌর শাখার সভাপতি ড. এ. কে. এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জর্জ কোর্টের অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, যুব ও মানব অধিকার বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু, আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের আমির প্রভাষক শফিউল আলম বকুল, গাংনী আসমানখালী থানা আমির আব্বাস উদ্দিন, আলমডাঙ্গা পৌর জামায়াতের আমির মাহের আলী, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ মামুন রেজা, সুতাইল জামে মসজিদের খতিব ডা: মাওলানা সাফায়েতুল ইসলাম হিরো। নওলামারি আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক শাহিন শাহীদের উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির শিবিরের পৌর শাখার সভাপতি আক্তারুজামান প্রমুখ।
আলমডাঙ্গার এই ইসলামী সন্ধ্যা ও প্রতিযোগিতা এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ইসলামী সংস্কৃতির এই চর্চা ভবিষ্যত প্রজন্মের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে।