আলমডাঙ্গা থানার পৃথক অভিযানে নাশকতা ও মাদক মামলায় ৫ জন গ্রেফতার
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
আলমডাঙ্গা থানার পৃথক অভিযানে নাশকতা ও মাদক মামলায় ৫ জন গ্রেফতার
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে নাশকতা মামলার দুই আসামি ও মাদক মামলার তিনজনসহ মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিনগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। পরে রবিবার (১১ অক্টোবর) তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলামের তত্ত¡াবধানে মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্প পুলিশের এসআই মানিক কুমার শিকদার, আলমডাঙ্গা থানার এসআই শাহারিয়ার হুসাইন রুবেল, এসআই তাইজুল ইসলাম ও এসআই শীতল বিশ্বাসসহ সঙ্গীয় ফোর্স পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন।
গত ৩০ এপ্রিল খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মুজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাসসহ তার লোকজন বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আটকে রেখে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় গাড়ি ভাঙচুরসহ নাশকতার ঘটনা ঘটে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় ৩ মে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী জেহালা ইউনিয়নের জেহালা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী বিশ^াসের ছেলে মিনহাজ উদ্দিন (৫৯) এবং হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মৃত তৈয়ব আলী মালিথার ছেলে আহাদ আলী (৫৭)। শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
এদিকে, এসআই শাহরিয়ার হুসাইন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আলমডাঙ্গা নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে গোবিন্দপুর (ঈদগাহপাড়া) গ্রামের শুকুর আলী বিশ্বাসের ছেলে মুকুট আলীকে (৩৩) গ্রেফতার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৬ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। মুকুট আলীকে সামারী ট্রায়ালে তাৎক্ষনিক বিচারের জন্য আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
অপর অভিযানে আলমডাঙ্গা পৌরসভার আলমডাঙ্গা একাডেমি (আল ইকরা) স্কুলের সামনে জনৈক তারিকের বসতবাড়ি থেকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আমজাদ খাঁর ছেলে সুজন আলীকে (৩৯) গ্রেফতার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। সুজন আলীকে সামারী ট্রায়ালে তাৎক্ষনিক বিচারের জন্য আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গা থানার এসআই তাইজুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চারিয়ে মাদক মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামী নওদা বন্ডবিল গ্রামের ওহিদুলের ছেলে শাহিনকে (৩৩) গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-৮, তারিখ ১০ অক্টোবর ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ধারায় মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ৫ জন আসামিকে রবিবার (১১ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
দামুড়হুদায় সাড়ে ১৮ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক
৩৩ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় ১৭ বছর ধরে জমি দখলের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন করে বিচার দাবি
৩৩ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জ থেকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে আসলেন চুয়াডাঙ্গায়
৫ ঘন্টা আগে