লগইন
আলমডাঙ্গায় ফারায়েজ সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ; গোপনে জমি ক্রয়ের অভিযোগ
বড় করে দেখুন
সাম্প্রতিকী ডেক্স আপডেট: ০৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ০৬:০০ বিকাল ৩৩৭ বার পঠিত
ফন্ট সাইজ:

সংবাদ শুনুন

প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন

চুয়াডাঙ্গা
আলমডাঙ্গায় ফারায়েজ সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ; গোপনে জমি ক্রয়ের অভিযোগ

আলমডাঙ্গার বেলগাছি গ্রামে ফারায়েজ সম্পত্তি ক্রয়কে কেন্দ্র করে মারধর, প্রতারণা ও গোপন লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

রোববার সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী মিঠু আলী ও তার চাচাতো ভাই সৌখিন লিখিত অভিযোগে জানান, বেলগাছি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দুই ভাই—নজরুল ইসলাম ও অহিদুল ইসলাম—এবং তাঁদের চার বোন রাবিয়া খাতুন, বেগম, সোনাভানু ও ফিলাকা খাতুনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ফারায়েজ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছিল। পারিবারিক সমঝোতার অংশ হিসেবে চার বোনের অংশ মোট ১২ লাখ টাকায় দুই ভাইয়ের কাছে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত হয় এবং তারা অগ্রিম টাকাও নেন।

অভিযোগে বলা হয়, বড় বোন রাবিয়া খাতুনের মৃত্যুর পর একই গ্রামের দুলু মিয়া গোপনে দুই বোন ও এক ভাগ্নের কাছ থেকে ওই সম্পত্তি প্রতারণার মাধ্যমে ক্রয় করে নেন। তিনি বেলগাছি মৌজার আরএস খতিয়ান নং ২৫-৭৮৫২, দাগ নং ১৬৭৩৯, ১৬৫২৪ ও ১৬৫২৫—মোট ১৬.৮৪ শতক জমি বেগম, ওল্টু, মন্টু, বিলকিছ, রেশমা ও ইকবালের কাছ থেকে কেনেন। তবে জমিটি দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী মিঠু আলী ও সৌখিনের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিঠু আলী জানান, শনিবার সকালে তারা জমি বিক্রির বিষয়টি যাচাই করতে গেলে দুলু মিয়া ও তাঁর লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়। কিলঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করা হয় এবং অশালীন গালাগালসহ হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, এর আগে দুলু মিয়ার বিরুদ্ধে বেলগাছি পূর্বপাড়ার মৃত সৈয়দ মণ্ডলের ছেলে ইদু এবং মৃত ওমর আলীর ছেলে ফকির চাঁদের জমি প্রতারণার মাধ্যমে কেনার অভিযোগও উঠেছিল।

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা পৈতৃক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। দুলু মিয়ার গোপন লেনদেন আমাদের ন্যায্য অধিকারে আঘাত করেছে। আমরা প্রতারণা ও অবৈধ ক্রয়ের বিচার চাই।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তাদের কাছে পৌঁছেনি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে লগইন করুন

লগইন করুন

সর্বশেষ সংবাদ

পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা, খসড়া আইনে জনমতের আহ্বান

২ ঘন্টা আগে
পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা, খসড়া আইনে জনমতের আহ্বান

ফল খারাপ হলে ট্রাম্পের পরবর্তী কৌশল কী?

৩ ঘন্টা আগে
ফল খারাপ হলে ট্রাম্পের পরবর্তী কৌশল কী?

এলপিজির দাম সমন্বয় হোক, তবে সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে নয়

৩ ঘন্টা আগে
এলপিজির দাম সমন্বয় হোক, তবে সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে নয়

আলমডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় খালে পণ্যবোঝাই আলমসাধু : সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতির আশঙ্কা

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় খালে পণ্যবোঝাই আলমসাধু : সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতির আশঙ্কা

আলমডাঙ্গায় নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার

আলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডলসহ দুই যুবক গ্রেফতার

৩ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় ট্যাপেন্টাডলসহ দুই যুবক গ্রেফতার

নজর সার্বভৌম বন্ড ও আন্তর্জাতিক বাজারে

৪ ঘন্টা আগে
নজর সার্বভৌম বন্ড ও আন্তর্জাতিক বাজারে

অ্যান্থনি গর্ডন

৪ ঘন্টা আগে
অ্যান্থনি গর্ডন

চট্টগ্রাম বন্ধুসভার আড্ডায় স্মৃতির ভেলায় তারুণ্য, প্রজ্ঞা ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন

৭ ঘন্টা আগে
চট্টগ্রাম বন্ধুসভার আড্ডায় স্মৃতির ভেলায় তারুণ্য, প্রজ্ঞা ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন

সংকটের নেপথ্যে যে শিক্ষা ও সামাজিক কারণ

৭ ঘন্টা আগে
সংকটের নেপথ্যে যে শিক্ষা ও সামাজিক কারণ

নোটিফিকেশন চালু করুন

সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো সবার আগে পেতে নোটিফিকেশন চালু করে রাখুন।