সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
জাল কাবিননামা তৈরির অভিযোগে কুষ্টিয়ায় আইনজীবীসহ ২ আসামি কারাগারে
কুষ্টিয়ায় জাল কাবিননামা তৈরি, ভুয়া দলিল উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আইনজীবীসহ দুই আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার গুরুত্ব ও নথিপত্রে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় আসামি অ্যাডভোকেট পি. এম. সিরাজুল ইসলাম এবং অমিত হাসানকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
কুষ্টিয়ার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফিরোজ মামুন জামিন শুনানি শেষে এ নির্দেশ প্রদান করেন। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অর্জিত আগাম জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আসামিরা সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আরজি জানান।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুমারখালী জি আর-২৯৭/২৬ (ফৌজদারি মিস-৩২/২০২৬) নম্বর মামলার আসামি ওই দুজন। তাঁদের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৬৫, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৬৯ ও ৪৭১ ধারায় জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতে আসামিপক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবী দাবি করেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে মনগড়াভাবে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিরা সম্পূর্ণ নির্দোষ। বিপরীতে রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর জামিনের জোর বিরোধিতা করে জানান, আসামিরা জামিন পেলে চলমান তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত বা প্রভাবিত হতে পারে।
মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক উল্লেখ করেন, গোপনে পুনর্বিবাহ সম্পাদন ও অসৎ উদ্দেশ্যে জাল কাবিননামা তৈরি করে তা ব্যবহারের সপক্ষে প্রাথমিক সত্যতা রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করেন এবং তাঁদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উক্ত আদেশের অনুলিপি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কুষ্টিয়া মডেল থানার আমলী আদালতে পাঠানো হয়েছে।