আলমডাঙ্গায় উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ অভিযান: ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) বন্ধ ও মা নার্সিং হোমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
সংবাদ শুনুন
প্লে বাটনে ক্লিক করে সংবাদটি শুনুন
আলমডাঙ্গায় উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ অভিযান: ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) বন্ধ ও মা নার্সিং হোমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
আলমডাঙ্গা শহরের বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোতে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মা নার্সিং হোমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং লাইসেন্স নবায়ন না করা পর্যন্ত ক্লিনিক্যাল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পর্যন্ত আলমডাঙ্গা শহরের বেশ কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ক্লিনিক পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র, লাইসেন্স, অনুমোদন এবং কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহনেওয়াজ মেহেদী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
অভিযানকালে ইউনাইটেড মেডিকেল সেন্টার (প্রাঃ) হাসপাতাল ক্লিনিক পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র, লাইসেন্স, অনুমোদন এবং কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এসময় প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও চিকিৎসকের কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। অপরদিকে লাইসেন্স নবায়ন না করায় মা নার্সিং হোমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স নবায়ন না করা পর্যন্ত ক্লিনিক্যাল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়াও কনা নার্সিং হোম, ফাতেমা টাওয়ারের ফাতেমা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার(প্রাঃ) অভিযান চালান।
লাইসেন্স ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা নয়, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা অভিযানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানান, মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া কোনো ক্লিনিক-হাসপাতাল পরিচালনা করা যাবে না। সরকারি নিয়ম অমান্য করে কার্যক্রম পরিচালনা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থদন্ড ও কারাদন্ড, কার্যক্রম বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্মকর্তারা আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কোনোভাবেই অনিয়ম ও বাণিজ্যিক খেয়ালখুশির বিষয় নয়। রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। লাইসেন্স নবায়নসহ সব ধরনের আইনগত শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ক্লিনিক্যাল কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে?
সম্পর্কিত সংবাদ
আলমডাঙ্গায় ফিরোজা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও লোকমান হোসেন প্রাইভেট হাসপাতালে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা : দুইটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
১৮ ঘন্টা আগে
আলমডাঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব
১৮ ঘন্টা আগে
দামুড়হুদায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আ.লীগ নেতা মামুন গ্রেপ্তার
২১ ঘন্টা আগে